Category Archives: film

Belashuru: Soumitra-Swatilekha’s love ballad deserved better writing

How does a relationship stand the test of time? What sustains the spark when your body is past the prime? Is it possible to love someone unconditionally, more than oneself? Shiboprosad Mukhopadhyay and Nandita Roy pose these questions before the audience. The answer lies in the broad canvas of Belashuru. The film, which released in May this year to a stupendous reaction from the audience, has premiered digitally on the OTT platform Hoichoi.

This film is a love ballad starring Soumitra Chatterjee and Swatilekha Sengupta. Set seven years after Belaseshe, the story is far from the ‘happily ever after’ note the first film ended on. Arati (Swatilekha Sengupta) is suffering from Alzheimer’s disease, and cannot recognise her own husband Biswanath (Soumitra Chatterjee). She has vivid memories of her children and married life; it is Biswanath’s face that eludes her. 

A still from Belashuru (Image courtesy: Asianet Bengali)

Seven years later

Trouble brews in the personal lives of their children also. Barin (Shankar Chakraborty), their eldest son, has separated from his wife Sarmistha (Indrani Dutta). Piu (Monami Ghosh) is struggling to save her marriage with Palash (Anindya Chatterjee). Malashree (Rituparna Sengupta) has secrets of her own. Jyotirmoy (Kharaj Mukherjee) and Kaberi (Aparajita Auddy) are the only couple who seem to have accepted their domestic fate.

Arati’s ailment brings the family together again in Santiniketan. Her doctor has advised that reenactment of any past incident might jog her memory. Hence, this mini vacation. Biswanath, who had devoted negligible time towards Arati for a major part of their conjugal life, has now taken charge of her well-being. Is it out of guilt, or genuine love? We do not know. 

What works for Belashuru?

Despite its flaws, one can happily sit through the 140 minutes of the film’s runtime, solely because of the masterclass in acting that Swatilekha Sengupta and Soumitra Chatterjee contributed. Playing an Alzheimer’s patient is challenging but Swatilekha carries the mantle of Arati with such ease that the actor becomes indistinguishable from the character. Her infantile innocence in some scenes, specially the ones where she recounts her wedding day, make for a poignant watch. She is complemented by Soumitra Chatterjee, who portrays his eternal longing effortlessly through his eyes. His dejection, every time his wife fails to recognise him, will pierce your heart. 

Shiboprosad and Nandita’s handling of relationships is more nuanced in Belashuru. They’ve matured in the seven years since Belaseshe released. It reflects in the manner in which Bijon and Malashree’s partnership receives the closure they deserved in the previous film itself. In one scene, she tells her father, the key to a successful relationship is friendship. That’s all that matters. This in essence describes the premise of Belashuru. In the end, Biswanath resigns to his fate, and gives up trying to revive Arati’s memories of their married life. They embark on a journey of friendship instead.

What could have been better?

Belashuru had all the premise for becoming a masterpiece. Had the director duo chosen to tell us only Biswanath and Arati’s story, the audience would’ve been in for a treat. But they added their children to the mix. Forced confrontations, imagined anxieties, song and dance routines that were not needed, and the zeal to recreate moments from Belaseshe, pull the film down. 

Take Piu and Palash for example. There is friction in their dynamic, and the duo do not make time for each other anymore. Palash is busy chasing his dream, to make a living in the city of dreams, while Piu wants to embrace motherhood. While we are introduced to their insecurities, there is no resolution throughout the film, except a quick lovemaking session before the climax. 

Barin and Sarmishtha’s case is similar. She wanted to pursue a career in fashion designing, which Barin had a problem with. This is the only context we are given after being told they have mutually separated. However, Sarmishtha not only comes back before the final song, she even harbours a soft corner for her estranged husband. How? Why? No one has answers. Kaberi and Jyotirmoy are the perennial court jesters who make an appearance only when the makers feel the audience has been fed enough serious drama, and deserve a laugh. 

A very interesting sub-plot was introduced, which if explored could have taken the film on a different course. In her recollections of her childhood, Arati often mentioned Atindra Da (Rudraprasad Sengupta). This triggered a sense of jealousy in Biswanath. He wanted to find out whether Arati married him out of free will, or did she have feelings for Atindra even after marriage. He even takes Arati to Bangladesh in search of Atindra. The directors steer clear of unresolved childhood romance, and channelise this trip towards dollops of nostalgia instead. What a wasted opportunity.

Soumitra-Swatilekha’s last release deserved a script with better conviction. They deserved their own story. That’d have made this love story even more magical.

শেরদিল – প্রকৃতির জয়গানে নতুন সৃজিতের আস্বাদ পেল দর্শক

যখন কিছুই ছিল না, তখন জঙ্গল ছিল। যখন কিছুই থাকবে না, তখনও জঙ্গলই থাকবে।

শেরদিল ছবির ক্লাইম্যাক্স যখন আসন্ন, তার কিছু আগেই এক চরিত্রের মুখে এই সংলাপ শোনা যায়। আপাত সাধারণ একটা লাইন যে কতটা অমোঘ হতে পারে তা হয়তো পরিচালক নিজেই জানেন না। কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে জুরাসিক ওয়ার্ল্ড ডমিনিয়ন ছবিটি। মানব সভ্যতার উন্নয়নের ঠেলায় কতটা বিপন্ন এই পৃথিবীর জীববৈচিত্র, সেটাই মূল বার্তা ছিল সেই ছবির। ভিন্ন প্রেক্ষাপটে সেই একই বার্তা দিল শেরদিল। যদিও এই ছবির ব্যাপ্তি আরও বিশাল।

কিছু বছর আগে উত্তরপ্রদেশের পিলভিটে ঘটে গেছিল এক আশ্চর্য ঘটনা, যা দেশজুড়ে সৃষ্টি করেছিল বিতর্কের ঝড়। দারিদ্রের চরমে ভুগতে থাকা একদল গ্রামবাসী তাদের পরিবারের প্রবীণ সদস্যদের বাঘের খাদ্য হিসেবে পাঠিয়ে দিত জঙ্গলে। এরপর বাঘের হাতে নিহত সেই গ্রামবাসীদের মৃতদেহ ক্ষেতে ফেলে রেখে সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ চাইত বাসিন্দারা। সেই ঘটনারই কাল্পনিক পুনর্নির্মাণ করলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়।

সৃজিত মুখোপাধ্যায় নামটা শুনলেই আম বাঙালির যে ছবিগুলির কথা মনে পড়ে সেগুলি হল বাইশে শ্রাবণ, চতুষ্কোণ কিংবা জাতিস্মর। টানটান থ্রিলার, মার্কামারা ডায়লগ, লার্জার দ্যান লাইফ ক্যানভাসে চিত্রিত অবিস্মরণীয় এক একটা কাহিনী। শেরদিল সৃজিতের অন্যান্য ছবি থেকে একদমই ভিন্ন। এই ছবিতে টানটান উত্তেজনা নেই, গুরুগম্ভীর রহস্য নেই। নেই কলকাতা শহরের অক্ষরেখা কিংবা অলিগলির গল্পরাশি। শেরদিল জুড়ে আছে শুধু একরাশ প্রশান্তি আর চোখ-কানের আরাম।

যদিও এই গল্পের প্রেক্ষাপট উত্তরপ্রদেশের পিলভিট, ছবির শুটিং হয়েছে উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্সের জঙ্গলে। সবুজের এমন সমাহার আর বন্যপ্রাণীর এই বৈচিত্র্য সচরাচর মূলধারার ছবিতে সচরাচর দেখা যায় না। ড্রোন শট তো বটেই, জঙ্গলের ভেতরের ক্লোজ শট গুলিও মুগ্ধ করে। তিয়াস সেনের কাজ অবর্ণনীয়। আর জঙ্গলের এই ভীষণ সুন্দর রূপের মাধুর্য আসর প্রস্ফুটিত হয় আবহ সঙ্গীতের মাধ্যমে। অদীপ সিংহ মাঙ্কি এবং অনিন্দিত রায়ের শব্দ পরিকল্পনা প্রশংসার দাবি রাখে।

শেরদিল ছবি জুড়ে যেমন অদৃশ্য উপস্থিতি আছে বাঘ বাহাদুরের, সেই একই দাপটের সঙ্গে প্রত্যেকটি দৃশ্য মাতিয়েছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠি। ছবির বেশিরভাগ জুড়ে যেহেতু তিনি একা জঙ্গলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তাই তার মুখাভিব্যক্তির ওপর দাঁড়িয়ে চিত্রনাট্যের বিরাট অংশ। সোজা ব্যাটে সহজেই ছক্কা হাঁকিয়েছেন পোড়খাওয়া এই অভিনেতা। তাঁর স্ত্রীর ভূমিকায় নজর কেড়েছেন সায়নী গুপ্তও। ছবির দ্বিতীয়ার্ধে পঙ্কজকে উপযুক্ত সঙ্গত দিয়েছেন নীরজ কবি।

শুধুই মানব সভ্যতার সাথে প্রকৃতির বিরোধের কথা বলে ক্ষান্ত থাকেননি সৃজিত। ছবির পরতে পরতে উঠে এসেছে দেশের বর্তমান আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতিফলন। মাংস খাওয়া থেকে একটি বিশেষ দলের নেতাদের দেশের সব সমস্যার জন্য নেহরুকে দুষবার প্রবণতা, সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার ক্ষণস্থায়ী জনপ্রিয়তা থেকে কৃতিত্ব নিতে নেতা-মন্ত্রীদের মুখিয়ে থাকার বদভ্যাস – আর দেশের চিরকালীন আমলাতন্ত্রের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত। কী নেই ছবিতে!

শুধু মাঝে মাঝে মনে হতে পারে, ছবিটা এবার গতি পেলে ভালো হত। সম্পাদনার টেবিলে আরেকটু কাটছাঁট করলে মন্দ হত না। আর কোনও কোনও দৃশ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্রে জর্জরিত গ্রামের প্রধানকে পরিপাটি করে কাচা, ইস্তিরি করা পাঞ্জাবি পরে থাকতে দেখেও চোখে ঠেকে। এছাড়া, ক্লাইম্যাক্সে বাঘের সাথে গঙ্গারামের দেখা হওয়ার দৃশ্যটা মনে ধরে না। বাঘের অত কাছে দাঁড়িয়ে দুই চরিত্র প্রায় তিন মিনিট নিজেদের মধ্যে কথা বলে গেল, এদিকে বাঘ বাবাজির হেলদোল নেই? আর গঙ্গারাম যখন বাঘের কাছে নিজেকে সমর্পণ করছে, তখন VFX ও কমজোরি লাগে।

তবে, এই ছোট না-ভালো লাগাগুলো এতটাই যৎসামান্য যে গোটা ছবির ব্যাপ্তি এতে মোটেও খাটো হয় না। বরং, আজকের অসহিষ্ণু সময়ে দাঁড়িয়ে এইরকম একটা শ্লেষাত্মক ছবি নির্মাণে বুকের পাটা লাগে। প্রায় ১২ বছর আগে দেশের মূল্যবৃদ্ধি সমস্যা যেমন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছিল পিপলি লাইভ, শেরদিল ঠিক একইভাবে শিব ঠাকুরের আপন দেশ, আমাদের বর্তমান ভারতের খণ্ডচিত্র তুলে ধরে।

%d bloggers like this: