Blog Archives

Forlorn

 

The misty shroud of loneliness

Waiting by the window

Passers-by mock, the known chide.

He remains. Motionless. Waiting.

 

Where was the heart?

In the right place?

Darkness widens the gulf

Fortunes long for embrace.

 

Fate was here. Stubborn.

Upon the attic of longing,

In a suitcase, packed for the journey.

She sets the ball rolling.

 

 

Fireflies whistled. Stars shone bright.

The silence of midnight broken

As his nemesis bellowed.

In the cusp of togetherness was a seed sown.

 

Together? Forever?

Solitude was forlorn.

Memories flushed, cheers jeered.

Loneliness sat by the window. Alone.

 

Wait.

The wait. Infinite wait.

Loneliness waited by the window.

Alone.

 

Image Source: Tumblr

DISCLAIMER: All Images Used In This Post Have Their Respective Copyrights

Kolkata Gave Me Wings

Kolkata Lifeবিগত এক বছরে আমায় বহুবার এই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে যে বাংলার প্রতি এত টান থেকেও, তথাকথিত পরিবর্তন এর পর কেন আমি বাংলা ছেড়ে চলে গেলাম। প্রশ্ন গুলি যে বেশিরভাগ সময় শ্লেষযুক্ত ছিল তা বলাবাহুল্য! ট্যুইটার কিম্বা ফেসবুক এ আমার শুভানুধ্যায়ী, যারা আমায় বিব্রত করতে এক অমোঘ তৃপ্তি লাভ করেন, তারা সুযোগ পেলেই প্রশ্নবানে আমায় জর্জরিত করতে উদ্যত হন বৈকি। লোকে আমার ব্যাপারে কি ভাবলো তাতে আমার কিসসু এসে যায়না, একথা সকলেই জানে।তবে মাঝে মাঝে নিজেকে এই প্রশ্নটা করলে, এক কড়াল বিসন্নতা গ্রাস করে।

 সেদিন টাইমস অফ ইন্ডিয়া তে একটি লেখা পড়লাম। লেখিকা নাকি কলকাতায় জন্ম হওয়াটা নিজের দুর্ভাগ্য মনে করেন। তার মতে, কলকাতা তার কাছে এক বন্দিদশাসম ছিল। লেখাটার গুনগত মান নিয়ে আমি যথেষ্ট সন্দিহান কারণ কলকাতাকে গালমন্দ করা এবং নিজের ঢাক নিজে পিটিয়েই উনি এক পাতা ভরিয়েছেন; আমি নিজের জীবন দিয়ে ভাবলাম – কলকাতার কাছে আমি কতটা ঋণী? উত্তর বাংলার ছোট্ট এক শহর থেকে ২০০৫ এ কলকাতায় উত্তরণ , প্রেসিডেন্সি কলেজ এর মত প্রথিতযশা এক ইনস্টিটিউশন এর ছাত্র হবার সুযোগ, নিজের স্বকীয়তার একরকম স্বীকৃতি আর নিজেকে জানার এই অপরিসীম আনন্দ কলকাতা ছাড়া কি অন্য কোথাও সম্ভব হত? সুযোগ এর অভাব এর কথা তো সকলেই বলে, কতজন নিজের সুযোগটা নিজেই বানিয়ে নেবার চেষ্টাটুকু করে? কলকাতা আমায় মানুষ হতে শিখিয়েছে; সে কারণে আমি কল্লোলিনী এই তিলোত্তমার কাছে চিরঋণী। কলকাতার কাছেই আমি পেয়েছি মানুষকে ভালবাসার মন্ত্রশক্তি, খুঁজে পেয়েছি নিজের আত্মপ্রত্যয়।  হাজার ঝঞ্ঝা সত্তেও, মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার লড়াই – তাও তো এই মাটিতেই সোপান হলো।
এক বছর বেঙ্গালুরুতে থেকে বুঝেছি বাঁচা কাকে বলে। ঝা চকচকে শপিং মল কিংবা আলোর রোশনাই এর মাদকতার পেছনে এই শহরে যে এক নিরন্তর হাহাকার, সেটা দেখার সময়টুকু কারো কাছে নেই। সবাই ছুটছে, গন্তব্যহীন এই দৌড়ে ঝিমিয়ে পরার কোনো অবকাশ নেই। আছে শুধু একরাশ মরিচিকা!
বেঙ্গালুরুকে আমি চিরকালই ডেড সিটি বলি, কারণ মানুষ এখানে মৃতপ্রায়। জীবনের ছিঁটেফোঁটার রেশ মাত্র এখানে নেই। আছে কেবল দোকানের হাতছানি দেওয়া কাঠপুতুলগুলো আর সারি সারি রক্তকরবীর রাজার প্রাসাদ! একাকিত্ব যেন এখানকার রীতি। জীবন এখানে নির্জীব। নেই কলকাতার spontaneity, নেই  উত্কর্ষের ছোয়া; একটুকরো আকাশ এখানে luxury, প্রানের স্পন্দন মুহ্যমান। এই শহরের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা থেকে বলছি, আমি যেন রাজার পাশে আটক নন্দিনী, কলকাতা আমার বিশু পাগল। গানের ওপারের পুপেরও কিন্তু প্রদিপ্ততে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যত এর হাতছানি ছিল, কিন্তু সে বেছে নিয়েছিল জীবনের অপরিহার্য ছন্দকে – গোরাকে।
লোকেদের অসীম কৌতুহল নিরসন না হয় আজ নাই করলাম। থাক না সে সব কথা অন্যদিনের জন্যে তোলা। যারা ভাবতে চায় ঝকঝকে ভবিষ্যত আর টাকার প্রলোভনে আমি বাংলাত্যাগী হয়েছিলাম, তারা তাদের ignorance নিয়েই খুশি থাক না। পরবাসেও বাংলার জন্যে যথাসামর্থ যে অবদান আমার, তা অনস্বীকার্য, এ কথা গর্ব করে বলতে পারি। বাঁধ ভেঙ্গে জীবনের যে নবোচ্ছাস এর সম্মুখীন আজ আমি, তার পাথেয় যে কলকাতা এই ঘোষণাও সগর্বে, বুক চাপড়ে বলতে পারি আমি। জীবনের জয়গান গেয়ে পথচলার শুরু তো ওখানেই!

চরৈবেতি, চরৈবেতি…..

%d bloggers like this: